চুল পাকা সমস্যার সমাধান

বর্তমান যুগে চুল পাকার কোনো বয়স নেই। যেকোন বয়সেই চুল পাকতে শুরু করে। নানা কারণে চুল পাকে। শরীরে ভিটামিন বি ৩,৬,১২, বায়োটিন, ভিটামিন বি অথবা ভিটামিন ই এর ঘাটতি হলে অল্প বয়সে চুল পাকতে পারে। আবার থাইরোয়েড জনিত সমস্যা হলেও চুল সাদা হয়ে যায়।

কারো যদি বংশগত কিংবা বয়সের কারণে চুল পেকে যায় তাহলে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।আবার অনেকের অল্প বয়সে কোনো কারণ ছাড়াই চুল পাকে, এই সমস্যা গুলা খাবার কিংবা ভিটামিন স্বল্পতার কারণে দেখা দেয়। তবে তা কমানো সম্ভব।চুল পাকা রোধে বেশি পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এর জন্য প্রচুর পরিমানে শাকসবজি, ফলমূল, গ্রিন টি, অলিভ অয়েল, মাছ খেতে হবে।

ভিটামিনের অভাবে চুল সাদা হয়ে যাচ্ছে তাদের বেশি পরিমানে ভিটামিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। এর মধ্যে সামুদ্রিক মাছ, ডিম, মাংস এগুলো ভিটামিন বি ১২ এর জন্য এবং দুধ, স্যামন মাছ এবং পনির ভিটামিন ডি এর দারুন উৎস। ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে সাপপ্লিমেন্টও খাওয়া যেতে পারে।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ধূমপানের সঙ্গে চুল পাকার যোগ রয়েছে। তাই চুল পাকা রোধে ধূমপান পরিহার করতে হবে।

এছাড়া ঘরোয়া পদ্ধিত ব্যাবহার করে চুল পাকা রোধ করা যায়।

পেঁয়াজের রসের সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে লাগালে চুলে পুষ্টি জোগাবে। এতে চুল পাকা রোধ হবে। এছাড়া চুলের পুষ্টি জোগাতে নিয়মিত প্রচুর পরিমানে পানি পান করা উচিত।ব্ল্যাক টি তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ভালো ফল পথে এটাও সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চুলে ব্যবহার করতে পারেন।ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকির রস চুল পাকা রোধে দারুন কার্যকরী।নারকেল তেলের সঙ্গে আমলিকার রস বা গুড়া মিশিয়ে সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন লাগালে উপকার পাবেন।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *