সুস্থ থাকার পাঁচটি টিপস

সুস্থ থাকতে আমরা কত কিছুই তো করি চিকিৎসকের পরামর্শ পর্যন্ত নিয়ে থাকি। তারওপর আমাদের অসুখ লাগেই থাকে। সুস্থ থাকতে পারেন কয়জন। ধীরে ধীরে শরীরের রোগ বাসা বাঁধে। মূলত আমরা অসুস্থ হই খাদ্যাভ্যাসের সমস্যায় এবং অসময়ে ঘুম এবং শরীর চর্চা না করার কারণে ।সুস্থ থাকতে খুব বেশি কষ্ট করতে হয় না।মাত্র পাঁচটি টিপস মেনে চলুন-

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা:

 

শরীরের ওজন সঠিক ভাবে মেইনটেইন করলে অনেক রকম রোগই বাসা বাঁধতে পারে না। এই কারণে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।নিয়মিত ব্যায়াম বা জিম করলে একটু একটু করে অনেকটাই ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব। তাছাড়া ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্ট ভাল থাকে। তাই তো ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবার আগে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে অনেক পরিবর্তন আনতে হবে, যেমন- প্রতিদিন বেশি করে ফল, সবজি, শস্যদানা খেতে হবে।

শরীরকে আদ্র রাখা:

মানুষের শরীরের ৬০ শতাংশ পানি। এই কারণে পরিমিত হারে পানি পান করলে শরীর সুস্থ এবং আদ্র থাকতে পারে। পরিমিত পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বেড়িয়ে যায়। ফলে শরীরে সহজে কোন রোগ প্রবেশ করতে পারে না। কারণ যে খাবার হজম হয় না সেই খাবার গুলো আমাদের শরীরে ফ্যাট, বিষাক্ত উপাদান জমা করে। ফলে দিনে দিনে নানারকমের রোগ আমাদের শরীরে দেখা দেয়। তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে পানি পান করা একান্ত জরুরি।

যোগব্যায়াম:

 

বহু প্রাচীনকাল থেকেই যোগব্যায়াম চর্চা করা হয়। বর্তমানে সারা পৃথিবীতেই যোগ ব্যায়াম অতি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। যারা নিয়মিত যোগ চর্চা করেন, তারা শরীর এবং মনের দিক থেকে সুস্থ থাকেন।যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি হয়, সেই সঙ্গে ভাল অভ্যাস তৈরি করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে শরীর সুস্থ এবং ফুরফুরে থাকে। অন্যদিকে শরীরের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করতে সহজ করে, মাংসপেশি সচল রাখতে এবং ওজন কমাতেও যোগ ব্যায়াম দারুন ভাবে সাহায্য করে।

সকালের নাস্তা: 

 

 

সুস্থ থাকতে সকালের নাস্তা মিস করা কোনও মতেই উচিত নয়। কারণ এটি সারাদিনের জন্য শরীরের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।সকালের সাস্থকর নাস্তা না করলে পিত্ত দোষ হতে পারে, যা শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।আর এর কারণে শরীর এ নানান রকম অসুখ দেখা দেয়। প্রসঙ্গত,সকালের নাস্তা করার সময় নিয়ম মেনে ফল, সবজি ইত্যাদি খাওয়া উচিত। এতে হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটেএবং শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বেরিয়ে যাবে। এছাড়াও, সকালের নাস্তা করলে শরীরে এনার্জি বৃদ্ধি পাবে।

পর্যাপ্ত ঘুম:

 

শরীর সুস্থ রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা দরকার। সময় ধরে ঘুমালে শরীর ভাল থাকে। সবথেকে বড় কথা আমাদের স্নায়ুবিক নানা রোগ প্রতিরোধ করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘুমানো খুবই দরকার। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, হার্টের সমস্যা হয় না। এছাড়াও ভাল ঘুম হলে আমাদের চিন্তাশক্তির উন্নতি ঘটে। এগুলি নিয়মগুলি মেনে চললে শরীর সুস্থ তো থাকবেই, সেই সঙ্গে মনও চাঙ্গা হয়ে উঠবে। তাই তো আজ থেকেই নিজেকে ভাল রাখতে জীবনযাপন করুন নিয়ম মেনে।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *