ক্যান্সার প্রতিরোধে সরিষার তেল!

শুধু রান্নাতে নয়, শরীরের হাজারো ব্যাধি সারাতে সরষের তেলের কোনো তুলনা নাই। কেবল স্বাদের জন্যই নয়, বহুকাল ধরেই এই তেল ব্যবহারের পেছনে আরো অনেক কারণ রয়েছে। বলা হয়, কেবল খাবার রান্নাতেই নয়, ত্বকের যত্ন থেকে শুরু করে চুলেও সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়। হার্ট ভাল রাখার পাশাপাশি ত্বক, চুলের জন্যও উপকারি সরিষার তেল। এই তেলটি অন্যান্য স্বাস্থ্যকর তেলের মতই তালিকার শীর্ষস্থানীয়দের একটি। সরষের তেলের ভিতর থাকা একাধিক উপকারি উপাদান শরীরকে নানাভাবে উপকার করে থাকে।

জেনে নিন বিস্তারিত:

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে:

সরিষার তেলে রয়েছে কপার, আয়রণ, ম্যাগনেসিয়াম এবং সেলেনিয়াম উপাদান গুলো। এই খনিজ উপাদান গুলি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

আর্থ্রাইটিস রোগের কষ্ট কমায়:

সেলেনিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম, এই দুটি খনিজ সরষের তেলে খুব বেশি পরিমাণ থাকে, যা আথ্রাইটিসের প্রদাহ কমানোর পাশপাশি এই রোগের প্রকোপ হ্রাসেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন ধরনের হাড়ের রোগে ভুগছেন, তাদের প্রতিদিন সরষের তেলে রান্না করা খাবার খাওয়া উচিত।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে:

সরিষার তেলে উপস্থিত গ্লকোসুনোলেট এবং মিরোসিনেস নামে দুটি উপাদান শরীরে ক্যান্সার সেলের বৃদ্ধি আটকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন এই তেলটি খেলে এমন ধরনের মরণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যে অনেকাংশেই হ্রাস পাবে।

 মাইগ্রেন সমস্যা দূর করে:

মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে ম্যাগনেসিয়াম দারুন কাজে আসে।সরিষার তেলে এই খনিজটি বিপুল পরিমাণে থাকে। তাই এই তেলের রান্না করা খাবার খেলে মাইগ্রেনের কষ্ট একেবারে কমে যায়। সরষের তেলে ভাজা মাছ খেলে শরীরে ওমাগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

শ্বাস কষ্ট দূর হয়:

গবেষণায় একথা প্রামাণিত হয়েছে যে শ্বাসকষ্ট সম্পর্কিত যে কোনো ধরনের সমস্যা কমাতে সরিষার তেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই যারা এমন ধরনের রোগকষ্টে ভুগছেন, তাদের নিয়মিত সরষের তেল খাওয়া উচিত।

হার্টের ভালো রাখে:

একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে নিয়মিত সরষের তেল খেলে হার্টের কোনও ক্ষতি হয় না। বরং হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *