উচ্চতা বৃদ্ধিতে খাবারের প্রয়োজনীয়তা

একটি নির্দিষ্ট বয়স পরে শারীরিক বৃদ্ধি ওঠা বন্ধ হয়ে যায়। তবে বেশিরভাগ পুষ্টিবিদরা অনুমান করে যে অনেকগুলি পুষ্টি উপাদানের যা উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

শারীরিক গঠনের পুরোটাই নির্ভর করে বংশগতি।’একজন ব্যক্তির উচ্চতা তার জিনগত বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে এবং এটি গণনা করা হয় যে আঠারো বছর বয়স থেকে, শারীরস্থান সম্প্রসারণ বন্ধ হয়ে যায়।’- চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই তথ্য প্রতিষ্ঠিত হলেও ভিন্ন মতও রয়েছে।

অনেক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নির্দিষ্ট কিছু খাবার যোগ করা, এটি অনেক ইঞ্চি পর্যন্ত প্রসারিত করতে সম্ভব। যাইহোক, এই খাদ্য কঠোরভাবে মেনে চলা উচিত এবং পর্যাপ্ত শরীরচর্চা করতে হবে।খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে কয়েকটি উচ্চতা বাড়ানোর খাবারের নাম এখানে দেওয়া হল, যেগুলো সহজেই বাজার থেকে যোগাড় করা সম্ভব।

সবুজ শাক-সবজি

 

শরীর বৃদ্ধির হরমোনকে উজ্জীবিত করতে হবে প্রয়োজনীয় খনিজ থেকে ভোজ্য আঁশ মেলে সবুজ পত্রল শাক-সবজি থেকে। তাই এগুলো শরীরের উচ্চতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে।

সয়াবিন

 

আমিষ, ফোলেট, ভিটামিন, আঁশ এবং কার্বোহাইড্রেটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সয়াবিন। এই উপাদানগুলো হাড় ও কোষকলার ঘনত্ব বাড়ায়, ফলে উচ্চতা বাড়ে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিন ৫০ গ্রাম সয়াবিন খাওয়া।

ওটমিল

 

এ সকল আমিষ-সমৃদ্ধ খাবার হাড় ও কোষের ক্ষয়পূরণ করে। নতুন কোষকলা তৈরিতেও কার্যকর ওটমিল। স্বাস্থ্যবিদদের মতে, যারা উচ্চতা বাড়াতে চান তাদের জন্য প্রয়োজন, প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ৫০ গ্রাম ওটমিল খাওয়া।

বাদাম ও বীজ

 

চিনাবাদাম, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, কুমড়ার বীজ, শণের বীজ ইত্যাদিতে প্রয়োজনীয় খনিজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড যা কোষের ক্ষয়পূরণ ও নতুন কোষকলা তৈরিতে সহায়ক।

মাছ

 

স্যামন. টুনা, সার্ডিন,ইলিশ ইত্যাদি আমিষ ও ভিটামিন ডি’র প্রাকৃতিক উৎস, যা উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য জরুরি ভাবে কাজ করে। এতে হাড়ের বৃদ্ধি ও ঘনত্ব বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

ডিম

 

শারীরিক গঠন ধরে রাখার ক্ষেত্রে ডিমের প্রয়োজনীয়তার বিকল্প নেই। উৎকৃষ্ট মানের আমিষের দারুন উৎস এটি. যা শক্তিশালী হাড় ও সুস্বাস্থ্য তৈরিতে অনন্য। তবে উচ্চতা বাড়াতে কুসুম বাদ দিয়ে প্রতিদিন তিন থেকে ছয়টি ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

মুরগির মাংস

 

কোষকলা ও পেশি তৈরির জন্য আমিষের প্রধান মুরগির মাংস। খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব, এটা যারা অবিশ্বাস করেন, তারা প্রতিদিন ৫০ গ্রাম মুরগির মাংস খেয়ে দেখতে পারেন।

কলা

উচ্চতা বাড়ানোর ফল। যা পটাশিয়াম, ম্যাংগানিজ, ক্যালসিয়াম, স্বাস্থ্যকর প্রো-বায়োটিক ব্যাকটেরিয়াতে ভরপুর। হাড়ের উপর সোডিয়ামের ক্ষতিকর প্রভাব নিষ্ক্রিয় করতে এবং হাড়ে ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব বাড়াতেও কলা উপকারী।তাই আমাদের প্রতিদিন কলা খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *