অ্যান্টিবায়োটিক এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে নিষিদ্ধ খাবার

শারীরিক অসুস্থতার জন্য আমরা ডাক্তারের কাছে যাই। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ঔষধ খাই, তার মধ্যে একটি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। যদি আমাদের রোগের প্রকোপ কম হয় তাহলে, আমরা সাধারণত ঘরোয়া চিকিৎসা দিয়ে থাকে।যদি সাধারণ ঔষুধে বা ঘরোয়া চিকিৎসায় রোগ প্রতিকার না হয়, তাহলে আমরা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে। অ্যান্টিবায়োটিক এটা খুব তাড়াতাড়ি অসুস্থতার জন্য নমনীয়তা, এটি আমরা সবাই জানি। তবে আমরা অনেকেই এটা জানি না যে কিছু খাবার আছে যা অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে খেলে বা অ্যান্টিবায়োটিকের পরে খেলে এর কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময় অবশ্যই সঠিক খাবার গ্রহন করা উচিৎ। এবার জেনে নিন কোন খাবার গুলো অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের সময় খাওয়া যাবে না।

অ্যালকোহল:

 

চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় কখনই অ্যালকোহল গ্রহন করা যাবে না। অ্যালকোহলের মধ্যে
থাকা কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য ঔষধের কার্যকারিতায় মারাত্বক প্রভাব ফেলে।

অ্যাসিড জাতীয় খাবার:

 

যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন প্রথম যে খাবারটি বর্জন করতে হবে তা হল উচ্চ মাত্রার অ্যাসিড জাতীয় খাবার। চকলেট, বাদাম, টক ফল, টমেটো এই জাতীয় খাবারগুলো দেহে ঔষধ শোষিত হতে বাধা দেয়।

দুগ্ধ জাতীয় খাবার:

 

দই ছাড়া অন্য সব দুগ্ধ জাতীয় খাবার অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ চলার সময় বন্ধ রাখতে হবে। দুধ, পনির ইত্যাদিতে উচ্চ মাত্রার ক্যালসিয়াম থাকে যা অ্যান্টিবায়োটিক শোষণে বাধা দেয়। তবে দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিকের জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের উপর কোনো প্রকার প্রভাব ফেলে না।

কফি:

 

যখন আমরা অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাই তখন অবশ্যই যেসব পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে তা বর্জন করতে হবে। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ক্যাফেইন দেহের জন্য তখন বিষের মত কাজ করে।

সাপ্লিমেন্ট :

 

এই সময় যেসব খাবারে অতিমাত্রায় আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকে তা বর্জন করতে হবে। কারণ এটি ঔষধের শোষনে কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

আঁশ জাতীয় খাবার:

 

আঁশ জাতীয় কিছু খাবার হয় যা পাকস্থলিতে খাবার শোষণের গতিকে ধীর করে। অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ নির্দিষ্ট সময় নিয়ে পাকস্থলিতে ভাঙে কিন্তু তখন যদি উচ্চ পরিমানে আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া হয় তাহলে তখন ঔষধ এর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *